Samish International is a specializing in legal manpower export from Bangladesh to the Middle East, Europe, and Asia.

পর্তুগাল ডি১ ক্যাটাগরি ভিসা সম্পর্কে বিভিন্ন ধরণের তথ্য..

পর্তুগালের ডি১ ভিসা (ওয়ার্ক ভিসা) কৃষিকাজ ,কনস্ট্রাকশনের কাজ ফুড ডেলিভারির কাজ জন্য যারা পর্তুগালের কোনো কোম্পানির সাথে

কাজের চুক্তিতে (Employment Contract) আবদ্ধ হয়ে পর্তুগালে যেতে চান। এটি পর্তুগালে বৈধভাবে বসবাস এবং স্থায়ী

হওয়ার অন্যতম জনপ্রিয় একটি সুযোগ।

নিচে D1 ভিসার বিস্তারিত সুযোগ-সুবিধাগুলো আলোচনা করা হলো:

পর্তুগাল ডি১ ভিসা

১. D1 ভিসা আসলে কী?
এটি একটি রেসিডেন্স ভিসা (Residence Visa)। আপনি যদি পর্তুগালের কোনো নিয়োগ কর্তার কাছ থেকে 2 বছরের মেয়াদী চাকরির

অফার বা কন্টাক্ট পান, তবে এই ভিসার মাধ্যমে আপনি সেখানে যাওয়ার আবেদন করতে পারেন।

 

২. আবেদনের প্রধান শর্তাবলি :
কাজের চুক্তি (Employment Contract): আপনার কাছে পর্তুগিজ কোনো কোম্পানির বৈধ কাজের চুক্তি বা অফার লেটার থাকতে হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: আপনার এখানে কাজের ক্ষেত্রে কোন প্রকার দক্ষতা লাগবেনা, আপনার যদি কোন নির্দিষ্ট কাজের উপর অভিজ্ঞতা থাকে সেক্ষেত্রে আপনার জন্য এটা ভালো দিক.

থাকার ব্যবস্থা (Accommodation): কোম্পানি আপনাকে থাকা এবং যাতায়াত ব্যবস্থা করে দিবে,

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স: নিজ দেশ থেকে অপরাধমুক্ত চরিত্রের সনদপত্র জমা দিতে হবে।

 

৩. ভিসার প্রসেস (ধাপে ধাপে):
জব অফার: প্রথমে পর্তুগালের কোম্পানি থেকে ওয়ার্ক পারমিট করা।

ভিসা আবেদন: নিজ দেশে অবস্থিত পর্তুগিজ কনস্যুলেট বা VFS Global-এর মাধ্যমে আবেদন করা।

এন্ট্রি ভিসা: দূতাবাস আপনাকে ৪ মাস মেয়াদী একটি এন্ট্রি ভিসা দেবে।

SEF/AIMA অ্যাপয়েন্টমেন্ট: পর্তুগালে পৌঁছানোর পর আপনাকে সেখানে রেসিডেন্স পারমিট বা কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে।

 

৪. D1 ভিসার বিশেষ সুযোগ-সুবিধা:
পর্তুগাল বর্তমানে অভিবাসীদের জন্য ইউরোপের অন্যতম সহজলভ্য দেশ। D1 ভিসার সুবিধাগুলো হলো:

ইউরোপ ভ্রমণের সুযোগ: এই ভিসা বা রেসিডেন্স কার্ড থাকলে আপনি সেনজেনভুক্ত (Schengen) ২৬টি দেশে বিনা ভিসায় যাতায়াত করতে পারবেন।

ফ্যামিলি রিইউনিয়ন (Family Reunion): আপনি আপনার জীবনসঙ্গী, সন্তান এবং নির্ভরশীল বাবা-মাকে পর্তুগালে নিয়ে আসার আবেদন করতে পারবেন।

স্থায়ী বসবাস (PR) ও নাগরিকত্ব: ৫ বছর সফলভাবে পর্তুগালে বসবাসের পর আপনি স্থায়ী বসবাসের (Permanent Residency) এবং

পর্তুগিজ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

সামাজিক সুবিধা: পর্তুগালের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সুবিধা নিতে পারবেন।

ট্যাক্স সুবিধা: বিশেষ ক্ষেত্রে ‘Non-Habitual Resident’ (NHR) স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ট্যাক্সে বিশেষ ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 

৫. কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
ভাষা: কাজ বা প্রাত্যহিক জীবনের জন্য পর্তুগিজ ভাষা জানা থাকলে আপনার জন্য সবকিছু অনেক সহজ হয়ে যাবে।

কাজের ক্ষেত্র: বর্তমানে আইটি (IT), ট্যুরিজম, কনস্ট্রাকশন এবং এগ্রিকালচার সেক্টরে প্রচুর কর্মীর চাহিদা রয়েছে।

সতর্কতা: সম্প্রতি পর্তুগালের অভিবাসন আইনে (SEF এখন AIMA নামে পরিচিত) কিছু পরিবর্তন এসেছে। তাই সরাসরি কোনো

এজেন্টের উপর নির্ভর না করে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নির্ভরযোগ্য সোর্স থেকে বর্তমান নিয়মগুলো যাচাই করে নেওয়া ভালো।

 

আমরা পর্তুগাল নিয়ে যে কাজগুলো করছি

#পর্তুগাল D1 ক্যাটাগরি ভিসা#
কাজের ধরন,
১.কৃষি কাজ
২.কনস্ট্রাকশন ওয়ার্কার,
৩. ফুড ডেলিভারি,
#প্রসেসিং সময়#
ইন্ডিয়ার ভিসা থাকলে ২ মাস, আর যদি না থাকে তাহলে ৩ মাস,
#স্যালারি: ৭০০ থেকে ৮০০ ইউরো,+ ওভার টাইম,
থাকা কোম্পানি, খাওয়া নিজের
ডিউটি টাইম : ৮ ঘন্টা,,সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন,

আরো অন্যান্য দেশের ভিসা সম্পর্কে জানতে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ:Samish International

Leave A Comment